মুন্নী আপার সঙ্গে আমার প্রথম আড্ডা— মাটি ক্যাফেতে। আজ। আজ শুক্রবার ১৪৩৩। আপা অসাধারণ লেখেন। অনেকের কাছে তিনি একজন প্রখর সাংবাদিক, কিন্তু আমার কাছে তিনি মূলত একজন লেখক। গল্প লিখেন, কবিতা লিখেন— আর তাঁর লেখায় ‘শিল্পের জন্য শিল্প’ তেমন গুরুত্ব পায় না; বরং জীবন আর ভাষার যাপনই সেখানে প্রধান হয়ে ওঠে। শাহনাজ মুন্নী আপার কবিতায় আছে দৃশ্যায়নের ঝলক, সম্পর্কের এক সহজ, স্বচ্ছ প্রবাহ। আমিন ভাইও আলাদা করে বলার মতো মানুষ— তিনি সুন্দরভাবে জীবনকে চর্চা করেন। তাঁর ভ্রমণসঙ্গ আমার ভীষণ ভালো লাগে। আমিন ভাই আর মুন্নী আপা ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছেন— এই যাত্রার সঙ্গেও যেন এক ধরনের গল্প জড়িয়ে আছে। একবার এক দূতাবাসে মুন্নী আপা কবিতা পড়ছিলেন। আমি আর আমিন ভাই গিয়েছিলাম শ্রোতা হয়ে। কবিতা পাঠ বা আবৃত্তি শেষ হওয়ার পর এক বিদেশি কবি বললেন, “একটা
Day: April 20, 2026
আশরাফুল মাখলুকাত
— আসুন আমরা ধর্ম নিয়ে কথা বলি। — তাহলে কি হবে? — তাহলে টেবিল গরম থাকবে। টেবিলে খাবার সার্ভ না করলেও চলবে। — আসুন অমুক ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র এই বিষয়ে কথা বলি। — তাহলে কি হবে? — তাহলে মানুষ ভাইরে নিয়া পইরা থাকবো— বাইরে কি দরকার, কি দরকার না— তা নিয়ে কোনো কথা হবে না। — বাহ! আপনার মাথায় তো ব্যাপক বুদ্ধি! — এইভাবে প্রসংশা করবেন। তাহলে প্রসংশা নির্ভর সোসাইটি নির্মাণ হবে এবং সোসাইটি একসময় নিন্দা বা সমালোচনা সহ্য করতে পারবে না। — তাহলে কি হবে? — তাহলে সমালোচনা করলেই গুম হবে, এ্যারেস্ট হবে, মারামারি হবে, রাষ্ট্র অস্থির হবে, জল ঘোলা হবে, ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করবে কতিপয় সুবিধারা। — সুবিধারা ঘোলা জলে মাছ শিকার করলে কি হবে? তাহলে যারা সুবিধা দেন তারা দিনে দিনে সুবিধাদের হাতে মারা পরবেন

