ভূমি অফিস বাংলাদেশের এক মহান জায়গা। এক শতক জায়গা আছে এমন বান্দারও ভূমি অফিসে জিয়ারত করতে যেতে হয়। আপনারা শুনে অবাক হবেন বাংলাদেশের অধিকাংশ ফৌজদারি মামলা হওয়ার পেছনে প্রধান কুতুব এই ভূমি। ভূমি সংক্রান্ত ঝামেলার প্রধান আতুরনিবাস বাংলার আঞ্চলিক ভূমি অফিস। ভূমি অফিসে যারা কাজ করেন তারা নিজেকে এই আধুনিক যুগেও খুব উঁচু মানের জমিদার মনে করেন— আর খাজনা প্রদানকারীরা খুব নিচু জাতের প্রজা। নব্বই দশকে জমিজমার জরিপ হয়েছে যা বিএস বা বাংলাদেশ সার্ভে নামে পরিচিত। তখন মেয়েরা বাপের বাড়ি থেকে নিজ হক নেয়াকে লজ্জাকর মনে করতো— কেউ কেউ মনে করতো ইসলাম বাপের বাড়ি থেকে সম্পত্তি নেয়া নিষেধ করে। ভাই ভাই সম্পত্তি বন্টন করে ফেলতো যেখানে বোনদের জিজ্ঞাসা করার ন্যুনতম প্রয়োজন বোধ করতো না। বোনেরা লজ্জায় লাল হয়ে শাড়ির আচল মাথা
মত দ্বিমত
আমদানি
এখানে উঁচু হিল আমদানি করা হয়। অথচ ভোক্তা জানে না হিল এই মাটির জন্য প্রযোজ্য না। কারণ এখানকার অধিকাংশ রাস্তাঘাট কাঁচা। ফলে দেখা যায় তারা মাটিতে এমনভাবে পা ফেলে যেন সার্কাসের চিকন রশিতে পা ফেলছে। হিলযুক্ত জুতা পায়ের সামনের অংশ থেকে পেছনের অংশকে দুই থেকে তিন ইঞ্চি উঁচু করে। এর প্রভাব গিয়ে পড়ে বুকে। ফলে বুক হাঁসের মতো সামনের দিকে ঝুলে থাকে, বুক যখন সামনের দিকে ঝুলে থাকে তখন এর একটি প্রভাব পড়ে কোমরে। কোমর তার স্বাভাবিক ব্যালেন্স হারায়। কোমর হেলেদুলে চলতে থাকে। নিতম্ব যেহেতু রাবারের মতো সেহেতু কোমরের চাপে নিতম্ব প্রশস্ত হয়ে পড়ে। একদিকে বুক সামনের দিকে, অন্যদিকে নিতম্ব পেছনের দিকে রাবারের মতো স্প্রিং করে চলে। নিতম্ব আর বুকের দুলদুল তখন পুরুষের মনে ঝনঝনা শব্দ তৈরি করে। পুরুষ কামনার ঘরে বাঁধ
ক রো না বি ন তে কো ভি ড উ নি শ [ ষষ্ঠ পর্ব ]
‘হবুচন্দ্র রাজা বলেন গবুচন্দ্রে ডেকে— ‘আইন জারী করে দিও রাজ্যেতে আজ থেকে, মোর রাজ্যের ভিতর— হোক্ না ধনী, হোক্ না গরীব, ভদ্র কিংবা ইতর, কাঁদতে কেহ পারবে নাক, যতই মরুক শোকে-- হাসবে আমার যতেক প্রজা, হাসবে যত লোকে। সান্ত্রী-সেপাই, প্যায়দা, পাইক ঘুরবে ছদ্মবেশে, কাঁদলে কেহ, আনবে বেঁধে, শাস্তি হবে শেষে।’ বলে গবু- ‘হুজুর— ভয় যদি কেউ পায় কখনো দৈত্য, দানা জুজুর, কিম্বা যদি পিছলে পড়ে মুণ্ডু ফাটায় কেহ, গাড়ীর তলে কারুর যদি থেঁতলিয়ে যায় দেহ; কিম্বা যদি কোনো প্রজার কান দুটি যায় কাটা, কিম্বা যদি পড়ে কারুর পিঠের ওপর ঝাঁটা; সত্যিকারের বিপন্ন হয় যদি, তবুও কি সবাই তারা হাসবে নিরবধি?’ রাজা বলেন- ‘গবু- আমার আইন সকল প্রজার মানতে হবে তবু। কেউ যদি হয় খুন বা জখম, হাড্ডিতে ঘুণ ধরে, পাঁজরা যদি ঝাঁঝরা হয়ে মজ্জা ঝরে পড়ে, ঠ্যাংটি ভাঙে, হাতটি কাটে, ভুঁড়িটি যায় ফেঁসে, অন্ধকারে স্কন্ধ কাটা ঘাড়টি ধরে ঠেসে, কিম্বা যদি ধড়ের
ক রো না বি ন তে কো ভি ড উ নি শ [ পঞ্চম পর্ব ]
...দৌলতপুর গ্রাম থেকে চলে যান কুমিল্লা। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সাথে সাথে পুরোদমে চলে ‘দোলনচাঁপা’ লেখার প্রস্তুতি... (দোলনচাঁপার আদি নিবাস নেপাল ও ভারতের হিমালয় অঞ্চল। এটি কিউবার জাতীয় ফুল। এটি ব্রাজিলে প্রথম নেয়া হয় ক্রীতদাস যুগে; যেখানে ক্রীতদাসেরা দোলনচাঁপা গাছের পাতাকে তোষকের মত ব্যবহার করতো। বর্তমানে ব্রাজিলে এর ব্যাপকতার কারণে একে রাক্ষুসে আগাছা হিসেবে অভিহত করা হয়। হাওয়াই অঞ্চলেও একে আগাছা গণ্য করা হয়। স্পেনীয় উপনিবেশ আমলে নারীরা এই ফুলের মধ্যে গোপন বার্তা লুকিয়ে আদান প্রদান করতো)। দুলির আরেক নাম দোলন। প্রমীলার পিতার নাম বসন্ত কুমার সেনগুপ্ত। মায়ের নাম গিরিবালা সেনগুপ্তা। বসন্ত কুমার সেনগুপ্তের আরও দু’ভাই ছিলো। জগত কুমার সেনগুপ্ত তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা এবং ইন্দ্র কুমার সেনগুপ্ত তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা। ইন্দ্র কুমার সেন তার স্ত্রী বিরজাসুন্দরী দেবীকে নিয়ে বসবাস করতো কুমিল্লার কান্দিরপাড়ে। বসন্ত
ক রো না বি ন তে কো ভি ড উ নি শ [ চতুর্থ পর্ব ]
...বলছিলাম রাবনের কথা। রাবন ব্রাহ্মণদের কাছ থেকেও খাজনা নিতেন। ব্রাহ্মণরা হুজুর টাইপের মানুষ। দোয়া দরুদ তপ জপ করা যাদের কাজ। তারা খাজনা দিবে কোথা থেকে। খাজনা দিতে অক্ষম ব্রাহ্মণদের কাছ থেকে রাবন রক্ত নিতো, নিয়ে মাটির পাত্রে সংগ্রহ করতো। ব্রাহ্মণরা অভিশাপ দিলো— এই মাটির পাত্র যেখানেই রাখা হবে সেখানেই অভাব অনটন দেখা দিবে। রাবন জানতো ব্রাহ্মণদের অভিশাপ সত্য হবে। তাই সে রক্তভরা মাটির পাত্র মিথিলার রাজা জনকের রাজ্যে রেখে আসে রাতের অন্ধকারে। জনকের রাজ্যে অভাব দেখা দেয়। জনক রাজা অভাব থেকে পরিত্রাণের জন্যে বিধান সভার সাহায্য প্রার্থনা করে। বিধান সভা তাকে হালচাষের পরামর্শ দেয়। রাজা জনক হালচাষ করতে গিয়ে বাচ্চা সীতার দেখা পায়। সীতা মানে তাই হলরেখা। জনক রাজার হালচাষের বিষয়টি মেটাফর হিসাবে নিলাম। অর্থাৎ রহস্যে ভরপুর এই বসুন্ধরার রহস্যময় ইতিহাস আমাদের
বেড়ে উঠার গল্প
প্রশিক্ষণ। মানসিক প্রস্তুতি। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। শারীরিক সক্ষমতা। তারপর মা হয়ে উঠার, বাবা বনে যাওয়ার চেষ্টা করতে হয়। তবে এই কথা সত্য যে জঙ্গলে গাছ আপনি আপনি বড় হয়ে উঠে, মঙ্গলে গাছের আবাদ করতে অবশ্যই চেষ্টা কিংবা প্রচেষ্টা লাগবে। একটা সময় পরিবারগুলো ছিলো জঙ্গলের মতো প্রাকৃতিক— বলতে গেলে যৌথখামার। নানানানি মাসিপিসি দাদাদাদি সবাই মিলে সন্তানের দেখভালের ভার নিতো— সন্তান বড় হয়ে উঠতো আনন্দে। আর এখনকার সন্তানের মা ব্যস্ত, বাবা ব্যস্ত, নানানানি দাদাদাদি মাসিপিসি হয় ব্যস্ত নয় অসুস্থ। ফলে সন্তানের আনন্দ বাস্তবতা নির্মাণ হচ্ছে মোবাইলে— কার্টুনের মতো বেড়ে উঠছে তারা, তারার কবিতা শুনে মোবাইলে। কয়েকবছর পর এই কার্টুন জেনারেশন যখন সমাজে ফাংশন করতে শুরু করবে সমাজে শাসনের বদলে দেখা দিবে বিশৃঙ্খলা— দুষ্টু নয়, নষ্ট আচরণ ভর করবে তাদের মনে— মনন বলতে তাদের কিছু
ঘর সাজানোর জন্য বই
তিনি অনেক চেষ্টার পর আমলা হলেন। মানে সরকারের নিজস্ব বাহিনিতে নিজের নাম লেখালেন। আমলাগিরি থেকে অবসর নেয়ার পর এবার জনগণের কাছে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে হবে। তাই বই লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আমলা থেকে লেখক। এবার প্রকাশকের সাথে তার বিশেষ খাতির। এখন তিনি পাঠকও চিনতে শুরু করেন। কিন্তু অবাক হোন পাঠক দেখে, পাঠক তো সেই লোক যার কাছ থেকে তিনি অনেক অনেক টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। লেখার চুলচুলানি থেকে অনেকে আবার লেখে। ভালো অভ্যাস। পাশের কয়েকজন বন্ধু লেখকের প্রসংশা করে। আর তাতেই সে নিজেকে নামীদামি গাড়ির মতো নামীদামী লেখক মনে করতে শুরু করে। সুতরাং একটি বই দরকার। শুরু হয় প্রকাশকের কাছাকাছি দৌড়াদৌড়ি। আর প্রকাশক তো মহান কসাই। হাসতে হাসতে কেল্লা কেটে ফেলে কিন্তু লেখক বুঝবেনই না তার কেল্লা নাই। একটি গাছ থেকে একটি
বিক্রি, ব্যবসা, বিনিয়োগ
নগদে পন্য বিক্রি করা হলো পাঁচ হাজার টাকা এবং এর জন্য ভ্যাট ধার্য করা হলো পঞ্চাশ টাকা। নগদান হিসাব ডেবিট বিক্রয় হিসাব ক্রেডিট ভ্যাট হিসাব ক্রেডিট ভ্যাট হিসাবটি এখানে দায়। হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় দায় বৃদ্ধি ক্রেডিট। যেহেতু প্রতিষ্ঠানের দায় বৃদ্ধি পেয়েছে তাই ভ্যাট হিসাবটি ক্রেডিট দেখানো হয়েছে। হিসাববিজ্ঞানের এই সহজ হিসাবটিও জটিল করে বাংলাদেশের হিসাব বিজ্ঞানীরা। খুব গোপনে ভ্যাট হিসাবটি বিক্রয়ের সাথে এ্যাড করে ক্রেডিট দেখায় যার ফলে দায়টিও প্রতিষ্ঠানের আয় হিসাবে পরিগণিত হয়ে যায়। আবার যিনি হিসাব বই অডিট করার জন্য আসেন তিনিও সন্তুষ্ট থাকেন যদি এমন এনকাউন্টার এন্ট্রি পাওয়া যায়। কারণ তাতেই তিনার পকেট ভারি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন আরো অনেক সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। এখানে টাকা উপার্জনের জন্য ব্যবসা করতে হয় না সব সময়। এতিমখানার নামেও ব্যবসা করা যায়। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান কিন্তু লাভেমূলে গাদাগাদা। প্রত্যেক পীরে কামেলের
Structure, Based on power
Exam is an structure and every structure based on power, power practice. And so seen power practice builds a den of classification, earthly gloom. As a result of classification a new devastated burn of thought has been come in our locality, then we have to face Adam and devil complex, Adam - devil hardship. Exam deserves quality at first, quality is the atomic something to make a huge difference between man and man. So why? quality is preferably urged! we need preferable life leading by born is the burning cause. Exam is the infinite choice at all. And only for that man's lives are buried in the infinite earth but not in the eternal appeal. It is harrowed sorrows that the factor exam fingers our
পরগাছা
যে সব পরগাছা মেয়েরা ভাবছেন স্বামী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই আপনার মেরুদন্ডের একটি পারিবারিক ঠিকানা হয়ে যাবে তাদেরকে শুধু বলতে চাই আপনিও কিন্তু জীবন্ত গাছ। মানুষ ইচ্ছা করলেই পরগাছা হতে পারে কিন্তু মানুষ ইচ্ছা করলেই গাছ হতে পারে না, যদিও স্বকীয়তা নিয়ে প্রত্যেকটি মানুষ জন্মগ্রহন করে। আপনার মানসিকতায় যদি পরগাছা মনোভাব থাকে তাহলে আপনার সন্তানও পরগাছা মানসিকতা নিয়ে বড় হবে। কারন দশ মাস দশ দিন সন্তান আপনার গর্ভেই অবস্থান করে। শিশুর মানসিক গাঠনিক পর্যায়েও আপনার সান্নিধ্য হয়তো লাভ করে থাকে, আপনার বুকের দুধ তার পৃথিবীর বুকে প্রথম খাবার। ছহবত আসল কথা– ছহবতে ছালে তোরা ছালে কোনাদ ছহবতে তালে তোরা তালে কোনাদ। অনেকে আপনাকে গাছের খুঁটি ভাবতে পারে, আপনি নিশ্চয় খুঁটির মতো জোয়ার-ভাটাহীন পদার্থ হতে জন্মগ্রহন করেন নাই, পৃথিবী আপনাকে মানুষ ভাবতেই পছন্দ করে