তীরে আসা ঢেউ ফিরে গেলে জল হয়ে নিজ ঘরে নিজ ঘরে জোছনার ফল হয়ে ফিরে গেলে চুপিসারে জানলো না কেউ ব্যথা দিলে রোজ যারে সুখ দিলে রোজ তারে ফুল হয়ে ফল হয়ে জলঘরে জলঘরে অকূলের পথ বেয়ে চাঁদময় মায়া ধরে কায়া ধরো ঢেউ হয়ে ছায়া দাও রোজ নিখোঁজের মনে দাও— শান্তির খোঁজ তীরে আসা ঢেউ মরনে লবন তুমি— মনেধরা বেউ Waves that touch the shore Return as water once more Silent steps, a silver glow Moonlit fruits that softly flow No one knew, no one heard Pain was given, joy was stirred Flower, fruit waves untold Drifting back to waters cold Through boundless tides they sway Clutching moonlight on their way Oh, be a wave, embrace the sea Shade the lost in harmony Waves that touch and fade from view Salt in death— yet bound to you ১১/০২/২০২৫ ৯:৩০মিনিট জাম্পিং পয়েন্ট গলে ফোর্ট শ্রীলঙ্কা
কবিতা
পানের ডিবি।
পুরো আকাশ ঢেকে গেলো মাটিতে হাত রাখি এমন মেঘ ☁ কোথাও নেই বাতাসে সমগ্র স্থলভাগ ঢেকে গেলো আকাশে নৌকা চালাই মাঝি আমি এমন জল নেই আর এমন জল নেই আর টানটান টনটনে হৃদয়পাশে রোপণ করি ঘুম রোপণ করি আলসেমি এক রাত এক দিন এক অন্ধকার এক আলো— হাতে রাখে হাত: স্বপ্নে রাখে স্বপ্ন চোখের ভেতর যে নীল জমা হয় তাও ঘামে তাও ঘামে জবজব আশার আশ্রয় মনের জঙ্গলে মনের প্রেম সময়ের মঙ্গলে জঙ্গলে মঙ্গলে কাপে অঙ্গ আনন্দ নৃত্য করে উলঙ্গ প্রাংশুলভ্য প্রাঙ্গণে কার যেনো কাদের যেনো কেটে যায় দিন ডিগ্রিরত্ন অর্জনে ডিগ্রিরত্ন পান শেষে অর্থসাগর মন্থনে কার যেনো কাদের যেনো কেটে যায় দিন কেটে যায় দিন পানের ডিবির পাটাতনে
জেনে রেখো।
জেনে রেখো এই দেশ মেহনতি জনতার ঘামে শ্রমে কথা বলে নেই কোন ভয় তার জেনে রেখো এই বাংলার বাউল সূফি কথাকার প্রয়োজনে এক হয় এক হয়ে একাকার গুলি করলে গুলি হয়ে ফিরে যাবো উল্টো ঝরে যাবে ছিড়ে যাবে নাট আর বুল্টু জেনে রেখো এই দেশ যাত্রাপালা কিসসার বিজাতীয় আলামত শীঘ্রই দেশ ছাড় দেশ ছাড় দেশ ছাড় যতসব শয়তান বাগানে ফুটবে ফুলবাহার ইনসান ❀ মনে রেখো কৃষকের ঘাড়ে থাকে গামছা ফসলের রাজা সে নয় কারো চামচা ভেঙে যাবে ভেঙে দাও কলোনি হামছা জয় হবে হবে জয় বাংলার ইচ্ছা ✌
মাটির ঘর
মাটির ঘর— জানালা থাকে— থাকে দরজা মাটির ঘর— আলো থাকে— থাকে বাতাস মাটির ঘর— থাকে মানুষ— পশুপাখি থাকে থাকে অনেক কিছু— আধুনিক কিংবা প্রাচীন মাটির ঘর— থাকে আমার দেহ যাকে ভালোবাসি রোজ আদর করি— গোসল করাই—খাবার খাওয়াই মাটির ঘরে মৃত আমি সব কিছু করি জীবিত হয়ে একদিন চলে যাবো সবকিছু ছাড়ি দেহ যার তার কাছে যাবে আমি যার যাবো তার কাছে আসা যাওয়া যাওয়া আসা ফুল হয়ে গাছে— গন্ধ হয়ে ফুলে ❀ জল হয়ে মুসাফির কূল থেকে কূলে
কথার কানাকানি।
★ ঝুঁকি নিয়ে ঝুকে পড়ে না বীর কেটে করে টুকরো ধেয়ে আসা সব তীর ★ সুসময়ে রঙের কালো আষাঢ়িয়া স্বপ্ন আসমানে উঠলো পাহাড় বোরাকধরা গপ্প ★ পাগলের খাচা ভেঙে বের হয়ে গেলে পাগল প্রশ্ন জাগে মনে কে আসল কে নকল ★ শুদ্ধ হাতে জন্ম নিবে নতুন বাংলাদেশ হালাল চাওয়াই মানুষ পাবে শুদ্ধ পরিবেশ ★ গজবের দেশে গুজব নিউজ মিথ্যা চশমা চোখটা ফিউজ ★ ভাবছো যারা ভালো আছো সব সাজানো ব্রেইন কিন্তু দেখছে সোজা সব বাকানো ★ ফুলকে যারা বুলেট করে বানায় রক্তনদী আমি রেজা নিজের হাতে তাদের কবর খুদি ★ ফুল তুমি দিবে জানি দিবে তবে কাকে!? তোমার মনে যে মানুষটা গন্ধ হয়ে ফুটে।
প্রেমের ছদ্মনাম।
আমরা দুজন গোপন হবো সময় হলে প্রকাশ বাতাস পথে আকাশ হবো চোখের তারায় তালাশ আরও আরও গোপন হয়ে একটি আলোর কোনায় তোমার ভেতর আমার ছায়া প্রেমের মতো মায়ায় বাকল যেমন লেপ্টে থাকে গাছের শরীর ধরে গাছরাখালি হাসে যেমন রঙের আলোয় চড়ে তেমন তুমি যেমন আমি যেমন তোমার তেমন আমার পাখা নাচে পাখায় তোমার ভেতর আমি উড়ি আবুল তাবুল ডানায় পাতা তুমি আমার হাওয়ায় যেমন করে হাসো যেমন করে গলে গলে আমার ঠোঁটে বসো তেমন করে জোছনা হয়ে জোয়ারে যাবো মিশে তোমার পুরুষ কেবল আমি প্রেমের ছদ্মবেশে
তুমিখোর।
এই যে ফুল
এই যে ফুল ❀ বসে আছো পাতার তলে চোখ দুটি বন্ধ করে হাসো আবার উঠো নড়ে কার ভাবনাঝড়ে? ফেলে আসা দিন? নাকি আসন্ন সময় অসীম? ভালো লাগে দেখতে— ভাবো কিংবা কাদো হাসো কিংবা রাগো এই যে ফুল ❀ বসে একা পাতার ঘরে হলুদ জামা গতর জুড়ে চোখ দুটি বন্ধ করে তোমার মন কার বাতাসে নড়ে? মনসময়ে ডুবে যাওয়া আকাশ? নাকি চোখে লাগা খুব সকালে প্রথম প্রেমের বাতাস? ভালো লাগে দেখতে— নীরব কিংবা সরব কিংবা জলভাসা তোমার কলরব
চোখের জলে আকাশ ধরে
মানুষগুলো অন্য রকম আঁকাবাঁকা কথা বলে মানুষগুলো অন্য রকম সাপের মতো হেসে চলে মানুষগুলো অন্য রকম অন্ধকারকে আলো বলে মানুষগুলো অন্য রকম হিংসা থেকে নিন্দা করে মানুষগুলো অন্য রকম ছায়া দেখে মায়ায় পড়ে মানুষগুলো অন্য রকম আলেম আলেম মুখোশ পরে মানুষগুলো অন্য রকম প্রয়োজনের হিসাব করে মানুষগুলো অন্য রকম নারীদেহে মাংস খোঁজে মানুষগুলো অন্য রকম কুকুর-বেড়াল আওয়াজ তুলে মানুষগুলো অন্য রকম কেল্লা কেটে পুন্য করে মানুষগুলো ভিন্ন রকম চোখের জলে আকাশ ধরে মানুষগুলো অন্য রকম অন্য রকম নিজের ঘরে মানুষগুলো অন্য রকম অন্য রকম চোখের ভাঁজে, মনের ভেতর খুব গোপনে আকাশ-পাতাল অন্য রকম অন্য রকম চোখে চোখে আমি কেন একই রকম ঝরে পড়া পাতার মতন
হঠাৎ সন্ধ্যা হয়ে গেলে
প্রিয়তমা আমার সবুজবীথি নিশিযাপন ওগো আমাকে ফুলবাবু নয়— ফুটবল ভেবে হেড মেরে পৌছে দিতে চাও গোলপোস্টে দর্শকের হাততালি তোমাকে কনফিউজড করে পরাজিত হও তুমি কৃষ্ণচূড়ার ফুলপাতা ছলে আলো নয় বাতাস নয় আরও আরও মনোযোগ দরকার ফুটবল যতটা গোল ততটা গোল নয় আমি মানসিক সঞ্চয় বিকালের হলুদ আলো হঠাৎ সন্ধ্যা বিকালের হলুদ আলো থেকে হঠাৎ সন্ধ্যা হয়ে গেলে গোলকধাঁধা মেঘ ☁ বৃষ্টি ছেড়ে বাচে জোয়ারে যা আসে ভাটায় তা ভেসে যায় মাঠ ভিজে ভিজে গেলে মাঠ পরে থাকে মার্জিত ঘাস গোলপোস্ট ফুলপাতা শাড়ি লিপিবদ্ধ ঠোঁট বৃষ্টিজলে ভিজে গেলো আমায় নিয়ে ঘরে ফিরো ফুলবাবু নয়— ফুটবল ভেবে পা থেকে মাথা মাথা থেকে পা মাঝে মাঝে বুকে— তাও আশ্রিত মাটির গাছমতো নয় গোলপোস্টে পৌঁছে দিতে পারলে সর্বার্থ জনম তোমার সেইজন্য আমি প্রস্তুত— মূলত প্রস্তুত করা হয়েছে তোমার পা থেকে যে ভাষা আমার দিকে তেড়ে আসে— তাই আমার নিয়তি তোমার মাথা থেকে যে কথা আমায় শেখানো হয়— তাই আমার