ফুলের সাথে আছি প্রিয় ভুলের সাথে নয় যতই করো জল ঘোলা জলের হবে জয় ✌
কবিতা
সখীচার
হলে তুমি সখীচার লালা আমার মরবেই থাকে না তার থাকে না তার উপায় তবে একমুঠোও বাচার নীলাপ্রিয় নীল শাড়ি চোখে উঠে রোদ মনজলে কেপে কেপে উঠে বোদ বোদ আলাবোলা কামবনে ঝড় আসে ঝড় আসে আসে আসে তুফান বড় হওয়া সোনা ফসল— পাকা ধানে মই স্বপ্ন তো ছিলোই স্বপ্ন তো থাকেই মজা করে খাওয়ার কাঁঠালি ধানের খই কামজোয়ার পথ চিনে না— কানার কানা জোয়ারে জোয়ারে ডুবায় ফসল শুনে না মানা কামজ্বর কামজ্বর অতুল সাগর চাবুক মেরে বলি তারে থামো থামো কামডর কামডর কামড় মারে থামানো যায় না— যায় না তারে শুনো ওরে মন আমার ওহে মন মিয়া ধরো তারে আদরে ধরো মায়া দিয়া বান্দো দেহ সোহাগে সোহাগ নিয়া সন্ধি করে সময়ে বসাও সময়বিয়া লাগাও হিয়া তবে হিয়ার সাথে হিয়া
বিপদফুলের কলি
অতিথি পাখি
এইমাত্র দেখা গেলো দূরে আবার চলে গেলো আরও আরও দূরে চোখ থেকে চোখে চোখের সীমানা পেরিয়ে অপেক্ষায় বসে আছি আমি বেকুয়ার বিলে হে অতিথি— ওহে অতিথি পাখি এখানে আছেনি—আছে নাকি কোনো তোমার শামুকমদে পরিযায়ী সাকি? তোমার পাখা মানে না কোনো পাসপোর্ট ভিসা তোমার মন জানে পৃথিবীর পরতে পরতে তুমি পৃথিবীর পরতে পরতে আছে তোমার অধিকার হিস্যা দেশ শব্দটি— এক বাকুয়াস কথা সংবিধান অভিধান— বানোয়াট সুবিধা তোমার কাছে পৃথিবী মানে মুসাফিরঘর সফরে সফরে আওয়াজ করো বর্ডারভাঙার গান করো বর্ডারবাজ মগজের ভেতর হে অতিথি— ওহে অতিথি পাখি আমার সাথে দেখা দিবে নাকি আমিও তোমার মতো মুসাফির উড়ে উড়ে নড়ে চড়ে ভ্রমণ আকি এই পৃথিবী আমার আমি এই পৃথিবীর বর্ডার টডার মিথ্যা ফেলাসি ফেইক শিয়াল ফাকি তোমার পা সত্য গতি চন মন তোমার ঠোঁট জানে প্রয়োজন তোমার ঠোঁটের কথা অনিবার্য হবে এবং অনিবার্য হলো কুয়াশার টেবিলে রোদের আদরে বসি চলো বসি চলো পৃথিবীর বুকে ধান গাছের ফাকে শামুকের সাথে জলের গতরে ভেসে থাকা
চোখের রোদ।।
ভুলে যাওয়া পাখি আলো ঝিকিমিকি সন্ধ্যা রাতের কথা মনে পড়ে কী একা তারে বসে হাওয়া খেতে খেতে কার কথা ভাবো অতীতে অতীতে যাকে তুমি চাও নাপেয়ে পেয়ে যাও জোছনার মতো জল আলোতে আলোতে মনের গহীনে আরও গোপনে প্রকাশ হলে ভালো চলিতে চলিতে অচেনা অজগর বোধ চোখের পেছনে রোদ ফিরিতে ফিরিতে ক্লিয়ার হলে ভালো যতসব কর্ম মান অভিমান বর্ম বলিতে বলিতে
কাচুলি সন্ধ্যা
কাচুলি সন্ধ্যা উদাম করো উদার অন্ধকারে সুরকি মানুষ তোমার জলে বাতাস নড়েচড়ে হাওয়া ওগো হাওয়া ওগো আঘাত কেন করো ঘুমপাড়ানির প্রজা সকল কুয়াশা গল্প ধরো ভূত নামবে জ্বিন নামবে নামবে রাতের ফুল সাগর কোমড় খুজতে খুজতে পেছনে যাচ্ছে কূল কূল নাই কিনার নাই— সর্বনাশা ডাক লোভের নিচে লোভ লাগালো অলস দুপুর কাক ধানের বীজ গানের বীজ কোথায় যেনো যাচ্ছে নূপুরপরা সন্ধ্যাতারা ☆ হাওয়ায় আলো মাখছে অমলধবল শাড়ির ভাজ অতীত গিলে খাচ্ছে এক মাঘে চেতনাশীত দারুণ অরুণ নাচছে ম্যাসাকারে আষাঢ়গীত রক্তবীজে বাজছে একলা পাখি একলা আকাশ একা নীড়ে ফিরছে
আমি তোমার ঘুড়ি
এইখানে বসে চোখের ভেতরে নদীর মতো মাঝি একে এইখানে বসে ঢাকা শহরের সমগ্র আলো মেখে নীরব হয়ে যাই চলো চোখের সাগরে একটা ছোট্ট কোলাহলও থাকবে না মানুষের বানানো মাংসের দুনিয়া মাংসের বানানো রাজনীতির খায় খায় স্বভাব অন্ধকারে যেমন আলোর অভাব আলোতে যেমন আলোচনার লবনাক্ত হাবভাব সবকিছু ছেড়ে সবকিছু রেখে সবার একজন হয়ে একজনের সবার হয়ে চলো পালাই— আরও আরও লোকালয়ের ভেতর চলো পালাই— আরও আরও কোলাহলের উপর অনেক শব্দের ভেতর তুমি ঘুড়ি তোমার ঘুড়ির পাখায় উড়ি— এই আমি উড়ি এখন উড়ি তখন উড়েছি উড়তে থাকবো আরও আরও বহুবার যতবার আকাঙ্ক্ষা জন্মাবে তোমার ততবার তুমি আমার কেবলই আমার
বদনামের আচার।।
বদনামের আচার যদি না পায় মানুষ কথার খাবার জমে না আড্ডায় বাতাসে উড়ে না যাত্রাপালার আনন্দ ফানুস এই নদী সাগরে যাবে মিষ্টি হবে তার জল এই সাগর নদীকে খাবে নোনতা হবে তার ফল গাছের কোনো ঘর নেই জলের আছে চর কথাতে আপন তুমি কথাতেই পর কাকে মানুষ করছে আপন কাকে মানুষ বলছে অপর পাতাতে পাখির সংসার পাতাতে হচ্ছে জমি আশ্চর্য উর্বর একই সূর্য তোমার আমার মানুষ মায়ের সন্তান এই সমাজই বানাচ্ছে প্রিয় সাধু ভন্ড মাস্তান ফুল থেকে ফলকে আলাদা করো যদি প্রকাশ পাবে কেবলই তোমার কথার বাহাদুরি বাহাদুরি রুচির শত্রু সাদা মোড়কে ত্রাস বদনামের কপাল খেয়ে বাশি হচ্ছে বাশ সময়ের স্রোত হয়ে রেজা চলে বয়ে সুরের সাথে ঘরসংসার অসুর যায় ক্ষয়ে
রাধিকা নদীর পাড়ে।
রাধা— রাধাগো আমার রাধাস্নাত শ্রাবণ মাসের বুক ভাসালে তুমি রাত গেলো— ভোর এলো— এলো ভোরের বাহার ভোরশাড়ির ভাজ ভাঙলে না— সকাল হলো তোমার রাধাস্নাত রাত শেষে ভোরের আলো চোখে ঘাসফুলের মতো প্রিয়া প্রিয়া আমার ভালো— নন্দ চন্দ মুখে আলো নাচে আকাশ মেঘে ☁— নদীর জলে ঢেউ তোমার মতো আমার ক্ষত দেখেনি আর কেউ চুলউড়ানো বাতাস আমি— তোমার ঠোঁটের ফুল ভাসতে ভাসতে রাধাকিস্তি চিনছে রেজাকুল অচেনার ঘরে দেখো প্রিয়— চেনা চোরের বাড়ি সংসারের উঠোনহাটে বাড়ছে পুলিশ ফাড়ি লোহা নহে কাস্তে নহে সাগর হয়ে এসো তোমার জন্যে আমার হৃদয়— জলপালঙ্কে বসো
ত্যাগানন্দ
আমার জন্যে প্রথম শাড়ি পরেছিলে যখন আমার মনে তখন পাঞ্জাবি ইদ তোমার শরীরে নামায পরে পালন করি ইদ উল ফিতর একবার ডুবে যাই আমি একেবারে ডুবে যাই আমি তোমার রক্তের ভেতর শাদা শাদা রক্তের ভেতর প্রেমের আযান রক্তনদী পারি দিয়ে চুপ করে বসে থাকি জলের শব্দে দিন আসে না ঢেউ উঠে না স্থলে কামের ঢেউয়ে প্রেম ভাঙে ইলমুল ইয়াকিন আইনুল ইয়াকিন হাক্কুল ইয়াকিন— একবার বুক দেখায় একবার পীঠ দেখায় আমার হৃদয়ে বয়ে যাওয়া মরুভূমির গাঙে তোমার ভরা গাঙে ভোগের তুফান আমার মনে তখন ইদ উল আযহা নিজের ভেতরে নিজের সাথে নিজেরে দিয়েছি প্রভুর নামে কোরবান









